সংক্ষেপে উত্তর: ঢাকার যেকোনো এলাকায় Root Foods খাঁটি খেজুর গুড় হোম ডেলিভারি দেয়, সাধারণত অর্ডারের ১–২ দিনের মধ্যে, ক্যাশ অন ডেলিভারিতে। ওয়েবসাইট, ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপে অর্ডার করলেই নাটোরের কারখানার গুড় পৌঁছে যাবে আপনার দরজায়। সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জসহ ঢাকার আশপাশে সাধারণত ২–৩ দিন লাগে।
ঢাকায় খাঁটি খেজুর গুড় কিনতে চাইলে বেশিরভাগ মানুষ কারওয়ান বাজার বা পুরান ঢাকার গুড়পট্টির কথা ভাবেন। কিন্তু যানজট পেরিয়ে সেখানে যাওয়া মানে অর্ধেক দিন শেষ, আর তারপরও নিশ্চয়তা নেই গুড়টা আসল কি না। দোকানে দোকানে একই "যশোরের আসল গুড়" ভিন্ন ভিন্ন দামে বিক্রি হয়। এর চেয়ে সহজ ও নিরাপদ উপায় হলো সরাসরি উৎপাদকের কাছ থেকে হোম ডেলিভারি নেওয়া। এই লেখায় ঢাকায় খেজুর গুড় হোম ডেলিভারির সবকিছু, এলাকা, সময়, চার্জ, অর্ডারের নিয়ম, অফিস অর্ডার আর গুড় হাতে পাওয়ার পর কীভাবে রাখবেন, এক জায়গায় দেওয়া হলো।
ঢাকায় হোম ডেলিভারিতে খেজুর গুড় কেন ভালো পছন্দ
- সময় বাঁচে: বাজারে ঘোরার দরকার নেই, অফিস বা বাসায় বসেই অর্ডার।
- উৎস নিশ্চিত: খোলা বাজারের অজানা উৎসের বদলে সরাসরি উৎপাদকের কারখানা থেকে আসে।
- প্যাকেজিং নিরাপদ: লিকুইড গুড় সিল করা লিক-প্রুফ জারে, পাটালি ফুড-গ্রেড প্যাকেটে।
- দেখে টাকা দিন: ক্যাশ অন ডেলিভারি, তাই হাতে পেয়ে প্যাকেট দেখে তারপর টাকা।
- দায়বদ্ধতা: সমস্যা হলে কাকে ফোন করবেন তা জানা থাকে।
ঢাকার খোলা বাজারের গুড়ে ঝুঁকি কোথায়
ঢাকায় যে গুড় বিক্রি হয়, তার বেশিরভাগই কয়েক হাত ঘুরে শহরে আসে। গ্রামের উৎপাদক থেকে ফড়িয়া, ফড়িয়া থেকে পাইকার, পাইকার থেকে খুচরা দোকান। প্রতিটি হাতে দাম বাড়ে, আর প্রতিটি ধাপে ভেজালের সুযোগ তৈরি হয়। শহরের বিক্রেতারা নিজেরাই স্বীকার করেন, চিনির মাত্রা অনুযায়ী একই "খেজুর গুড়" ১৬০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়।
প্রতি শীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চিটাগুড়, পচা মিষ্টি, ময়দা, সোডা আর কৃত্রিম রং দিয়ে বানানো হাজার হাজার কেজি ভেজাল গুড় জব্দ হয়। এসব গুড় দেখতে আসল গুড়ের মতোই, অনেক সময় আরও বেশি চকচকে। সাধারণ ক্রেতার পক্ষে দোকানে দাঁড়িয়ে তা ধরা কঠিন। তাই ঢাকায় খাঁটি গুড় পাওয়ার সবচেয়ে নিরাপদ উপায় হলো মাঝের হাতগুলো বাদ দিয়ে সরাসরি উৎপাদকের কাছ থেকে নেওয়া।
ঢাকার কোন কোন এলাকায় ডেলিভারি হয়?
ঢাকা মহানগরের সব এলাকায় আমরা ডেলিভারি দিই। নিচে কিছু এলাকার নাম দেওয়া হলো, তালিকায় না থাকলেও আপনার এলাকায় ডেলিভারি হবে।
- উত্তর ঢাকা: উত্তরা, বনানী, গুলশান, বারিধারা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা, খিলক্ষেত, মিরপুর, পল্লবী, কাফরুল
- মধ্য ঢাকা: ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া, ফার্মগেট, তেজগাঁও, মগবাজার, মালিবাগ, শান্তিনগর, পান্থপথ
- দক্ষিণ ঢাকা: মতিঝিল, পল্টন, পুরান ঢাকা, যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, খিলগাঁও
- ঢাকার আশপাশ: সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ
ডেলিভারি সময় ও চার্জ
| এলাকা | ডেলিভারি সময় | ডেলিভারি চার্জ |
|---|---|---|
| ঢাকা মহানগর | ১–২ দিন | ৳[চার্জ] |
| ঢাকার আশপাশ (সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, কেরানীগঞ্জ) | ২–৩ দিন | ৳[চার্জ] |
| ঢাকার বাইরে সারা দেশে | ২–৪ দিন | ৳[চার্জ] |
মৌসুমের ব্যস্ত সময়ে (ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি) চাহিদা অনেক বেশি থাকে, আর প্রথম ব্যাচের ফ্রেশ গুড় সীমিত। তাই পিঠা উৎসব বা বিশেষ দিনের জন্য কয়েক দিন আগেই অর্ডার করে রাখুন।
কীভাবে অর্ডার করবেন
- আমাদের খেজুর গুড় পেজ থেকে পছন্দের ধরন ও ওজন বেছে নিন।
- নাম, সচল ফোন নম্বর ও পূর্ণ ঠিকানা দিন: বাড়ি নম্বর, রোড, এলাকা আর কাছের পরিচিত জায়গা (যেমন মসজিদ, স্কুল বা দোকানের নাম)।
- আমাদের প্রতিনিধি ফোনে অর্ডার নিশ্চিত করবেন।
- ডেলিভারি দিনে ফোনটি সচল রাখুন, রাইডার আসার আগে কল করবেন।
- গুড় হাতে পেয়ে প্যাকেট দেখে টাকা দিন।
ফোন বা হোয়াটসঅ্যাপেও সরাসরি অর্ডার করতে পারেন: 01882115515। অনলাইনে অর্ডারের সময় কী কী যাচাই করবেন, পড়ুন: খেজুর গুড় অনলাইন অর্ডার গাইড।
ডেলিভারি হাতে পেয়ে যা যাচাই করবেন
- বাইরের কার্টন বা প্যাকেট অক্ষত আছে কি না দেখুন। লিকুইড গুড়ের জার থেকে কিছু চুইয়ে পড়ছে কি না খেয়াল করুন।
- জারের ঢাকনার নিচের সিল ঠিক আছে কি না দেখুন।
- লেবেলে Root Foods-এর নাম, ঠিকানা, ওজন, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ আছে কি না মিলিয়ে নিন।
- অর্ডার করা ধরন আর ওজন ঠিক এসেছে কি না দেখুন।
- কোনো সমস্যা পেলে রাইডারের সামনেই ছবি তুলে রাখুন এবং সঙ্গে সঙ্গে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপে জানান।
পিঠা উৎসব আর বিশেষ দিনের জন্য আগাম পরিকল্পনা
পৌষ সংক্রান্তি, নবান্ন, অফিসের পিঠা উৎসব কিংবা পরিবারের বিশেষ আয়োজন, শীতের এই দিনগুলোতে ঢাকায় খেজুর গুড়ের চাহিদা হঠাৎ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তখন কুরিয়ারের ওপরও চাপ থাকে। শেষ মুহূর্তে অর্ডার করলে গুড় সময়মতো না পৌঁছানোর ঝুঁকি থাকে। তাই অনুষ্ঠানের অন্তত ৩–৪ দিন আগে অর্ডার করুন। পাটালি ও গুড় পাউডার আগে থেকে কিনে রাখা যায়, লিকুইড গুড় অনুষ্ঠানের কাছাকাছি সময়ে নেওয়াই ভালো, আর হাতে পেয়েই ফ্রিজে রাখুন।
কোন গুড় অর্ডার করবেন? ঢাকার পরিবারের জন্য সহজ পরামর্শ
| আপনার প্রয়োজন | যে গুড় নেবেন |
|---|---|
| সকালের নাস্তায় মুড়ি বা রুটির সাথে | পাটালি বা সেমি লিকুইড |
| ভাপা পিঠা, পাটিসাপটা, চিতই | ফুল লিকুইড (ঝোলা গুড়) |
| পায়েস ও মিষ্টি রান্না | পাটালি বা সেমি লিকুইড |
| বাচ্চাদের টিফিন, পাউরুটিতে | রুটিলা ক্রিম |
| অফিসে চা-কফিতে চিনির বদলে | খেজুর গুড় পাউডার |
অফিস, কর্পোরেট ও বাল্ক অর্ডার
শীতে অফিসের পিঠা উৎসব, কর্মীদের উপহার কিংবা ক্লায়েন্টদের শুভেচ্ছা হিসেবে খেজুর গুড় এখন ঢাকার অফিসগুলোতে খুব জনপ্রিয়। দেশের বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর আমাদের কাছ থেকে উপহারের গুড় নেয়। বাল্ক অর্ডারে পাবেন:
- পরিমাণ অনুযায়ী বিশেষ দাম
- নির্দিষ্ট তারিখে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি
- গিফট বক্স ও কোম্পানির নামসহ কাস্টম প্যাকেজিংয়ের সুবিধা
- একসাথে একাধিক ঠিকানায় পাঠানোর ব্যবস্থা
- প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানের নামে চালান ও বিল
বাল্ক বা কর্পোরেট অর্ডারের জন্য সরাসরি কল করুন: 01882115515, অথবা ইমেইল করুন: contact@rootfoods.com.bd।
ঢাকার ফ্ল্যাটে গুড় হাতে পাওয়ার পর কীভাবে রাখবেন
গ্রামের তুলনায় ঢাকার ফ্ল্যাট দিনের বেলা কিছুটা গরম থাকে, বিশেষ করে রান্নাঘরে। খাঁটি গুড়ে কোনো প্রিজারভেটিভ নেই, তাই রাখার নিয়মটা জানা জরুরি।
- পাটালি গুড়: এয়ারটাইট কাচের বা প্লাস্টিকের পাত্রে ঠান্ডা, শুকনো জায়গায় রাখুন। চুলার পাশে রাখবেন না। ঠান্ডা জায়গায় ৩ মাস ভালো থাকে, এর বেশি রাখতে চাইলে ফ্রিজে রাখুন।
- লিকুইড বা ঝোলা গুড়: হাতে পেয়েই ঢাকনা ভালো করে আটকে ফ্রিজে রাখুন। প্রতিবার শুকনো চামচ ব্যবহার করুন, ভেজা চামচ দিলে দ্রুত গাঁজন হয়।
- রুটিলা ক্রিম: ফ্রিজে রাখুন। মেয়াদ ২ বছর।
- গুড় পাউডার: শুকনো জায়গায় রাখলেই চলবে, ফ্রিজ লাগবে না।
- গুড় পাউডার: মুখ বন্ধ করে শুকনো জায়গায় রাখলেই চলবে।
গরমে লিকুইড গুড়ে হালকা ফেনা বা সামান্য টক গন্ধ আসতে পারে। এটা ভেজালের লক্ষণ নয়, বরং প্রাকৃতিক হওয়ার প্রমাণ। বিস্তারিত: খেজুর গুড় সংরক্ষণের উপায়।
ঢাকায় কেন Root Foods-এর খেজুর গুড়
আমাদের প্রধান অফিস ঢাকার উত্তর বাড্ডার সাতারকুল রোডে, আর কারখানা নাটোরের হারোয়ায়। ২০০৮ সাল থেকে আমরা খেজুর গুড় তৈরি করছি, আর ঢাকার হাজারো পরিবার প্রতি শীতে আমাদের গুড় দিয়েই পিঠা-পায়েস বানান।
- BSTI ও BCSIR অনুমোদিত, ল্যাব টেস্টেড পণ্য
- BAPA ও BOPMA-র সদস্য, EPB তালিকাভুক্ত নিবন্ধিত রপ্তানিকারক
- আগোরা, ইউনিমার্ট, মেট্রো মার্ট, লাভেন্ডার, ডেইলি শপিংসহ ঢাকার বড় সুপারশপে পাওয়া যায়
- ৭০ হাজারের বেশি পরিবারের আস্থা
- পাটালি থেকে গুড় পাউডার, সব ধরন এক জায়গায়
আমাদের সনদগুলো দেখুন: সার্টিফিকেশন পেজ। এই শীতের দাম দেখুন: খেজুর গুড়ের দাম ২০২৬।
ঢাকার বাইরে থাকা প্রিয়জনকে গুড় পাঠাতে চান?
আপনি ঢাকায় থাকেন, কিন্তু বাবা-মা থাকেন অন্য জেলায়? অথবা উল্টোটা? আমাদের ওয়েবসাইটে অর্ডারের সময় শুধু প্রাপকের নাম, ফোন নম্বর আর ঠিকানা দিন, গুড় সরাসরি তাঁর কাছে পৌঁছে যাবে। চাইলে আগাম টাকা পরিশোধ করে দিতে পারেন, যাতে প্রাপককে কিছু দিতে না হয়। শীতে প্রিয়জনের কাছে এক বাক্স খাঁটি গুড় পাঠানো ছোট্ট, কিন্তু মনে রাখার মতো উপহার। গিফট বক্সে পাঠাতে চাইলে অর্ডারের সময় জানিয়ে দিন, আমরা উপহারের মতো করে সাজিয়ে পাঠাব।
সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)
ঢাকায় খেজুর গুড় অর্ডার করলে কবে পাব?
সাধারণত ১–২ দিনের মধ্যে। মৌসুমের ব্যস্ত সময়ে কয়েক দিন আগে অর্ডার করুন।
ঢাকায় কি ক্যাশ অন ডেলিভারিতে খেজুর গুড় পাওয়া যায়?
হ্যাঁ, পুরো ঢাকা ও সারা দেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা আছে।
অফিসের জন্য বেশি পরিমাণে অর্ডার করা যায়?
হ্যাঁ, বাল্ক ও কর্পোরেট অর্ডারে বিশেষ দাম, গিফট প্যাকেজিং আর নির্দিষ্ট তারিখে ডেলিভারি পাওয়া যায়।
নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর বা সাভারেও কি ডেলিভারি হয়?
হ্যাঁ, ঢাকার আশপাশের সব এলাকায় সাধারণত ২–৩ দিনে ডেলিভারি হয়।
সুপারশপ থেকেও কি Root Foods-এর গুড় কেনা যায়?
হ্যাঁ, ঢাকার আগোরা, ইউনিমার্ট, মেট্রো মার্টসহ বড় সুপারশপে আমাদের গুড় পাওয়া যায়।
ঢাকায় খাঁটি খেজুর গুড়, আপনার দরজায়
নাটোরের কারখানা থেকে সরাসরি। ক্যাশ অন ডেলিভারি, লিক-প্রুফ প্যাকেজিং।
ফোন/হোয়াটসঅ্যাপ: 01882115515 · ইমেইল: contact@rootfoods.com.bd



